২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই ফের চর্চায় বহরমপুরের হেভিওয়েট নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় নিজের সম্পত্তি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার যে খতিয়ান তিনি দিয়েছেন, তা দেখে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
হলফনামা অনুযায়ী, বর্তমানে অধীর চৌধুরীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা। অবাক করার মতো বিষয় হলো, গত লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নগদ টাকার পাশাপাশি তাঁর ও তাঁর স্ত্রী অতসী চৌধুরীর নামে রয়েছে একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, মিউচুয়াল ফান্ড এবং জীবনবিমা। বর্তমানে অধীরের হাতে নগদ রয়েছে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়াও অতসী চৌধুরীর নামে ১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের গয়না ও বিলাসীবহুল গাড়ি রয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে তিনি জানিয়েছেন, বহরমপুরের আই.সি. ইনস্টিটিউট থেকে তিনি তাঁর পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন। পেশা হিসেবে নিজেকে ‘রাজনীতিক ও সমাজকর্মী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির পাশাপাশি তাঁর কাঁধে লক্ষাধিক টাকার ঋণও রয়েছে। ভোটের মুখে অধীরের এই আর্থিক খতিয়ান এখন আমজনতার ড্রয়িং রুম থেকে চায়ের ঠেক— সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।





