কালিয়াচক কাণ্ডে পুলিশের জালে ধরা পড়ল আরও ১৭ জন, যার ফলে মোট গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৫। উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রামন শুক্রবার জানিয়েছেন, এই ঘটনার মূল প্ররোচনাকারী তথা মিম (MIM) নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পেশায় আইনজীবী মোফাক্কেরুল বেঙ্গালুরুতে পালানোর ছক কষেছিলেন, কিন্তু সিআইডি ও শিলিগুড়ি পুলিশের তৎপরতায় তিনি ধরা পড়েন।
তদন্তে এনআইএ ও কড়া আদালত:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বৃহস্পতিবার থেকেই এই ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়েছে এনআইএ (NIA)। গত বুধবার বিডিও অফিসে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা জল-খাবার ছাড়া আটকে রাখা এবং রাতে ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে হামলার ঘটনাকে ‘বিচারব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত’ হিসেবে দেখছে শীর্ষ আদালত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং আইএসএফ প্রার্থী মৌলানা শাহজাহান আলি-সহ ১৮ জনকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
নিরাপত্তায় বিশেষ বাহিনী:
ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সমস্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের জন্য সিএপিএফ (CAPF) বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এডিজি জানিয়েছেন, এই হামলার নেপথ্যে আগে থেকে কোনও সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মুখ্যসচিব ও ডিজিপি-র ভূমিকা নিয়ে আদালতের চরম অসন্তোষের মাঝেই এনআইএ-র এই সক্রিয়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।





