ওড়িশার পারাদ্বীপে ঘটে গেল এক হাড়হিম করা অপরাধ, যা মানবতার মাথা হেঁট করে দিয়েছে। এক যুবতীকে প্রথমে তাঁর প্রেমিক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ, আর সেই চরম বিপদের মুহূর্তে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া এক ব্যক্তিও মেটাল নিজের পাশবিক লালসা। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতা যুবতী যখন তাঁর প্রেমিকের হাতে লাঞ্ছিত হয়ে বিধ্বস্ত অবস্থায় একটি বাসস্ট্যান্ডে বসেছিলেন, তখন এক পথচারী তাঁকে দেখতে পায়। যুবতীর আলুথালু পোশাক এবং শারীরিক অবস্থা দেখে ওই ব্যক্তি সাহায্যের প্রস্তাব দেয় এবং জানায় যে সে কাছেই থাকে।
বিপদের দিনে খড়কুটো আঁকড়ে ধরার মতো ওই ব্যক্তিকে বিশ্বাস করেছিলেন যুবতী। ওই ব্যক্তি তাঁকে বাইকে করে পারাদ্বীপের একটি ভাড়া বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর পরেই ওই ব্যক্তির আসল রূপ বেরিয়ে আসে। আশ্রয়ের বদলে সে ওই যুবতীকে ফের ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরপর দুবার এমন নারকীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে যুবতী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। পুলিশ ইতিমধ্য়েই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। জনবহুল বাসস্ট্যান্ডের কাছে এমন ঘটনা ঘটায় স্থানীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।