২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বঙ্গ রাজনীতির দুই ‘রঙিন’ চরিত্রের বাদানুবাদ নতুন মাত্রা পেল। খড়গপুরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ করার সময় শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে অথবা সরাসরি তাঁর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ।
দিলীপের বিস্ফোরক মন্তব্য: এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “যাঁরা এতদিন অনেক লাফালাফি করেছেন, তাঁদের এবার বিদায় নেওয়ার সময় হয়েছে। বিশেষ করে ওই ভদ্রলোক (কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়), যাঁর মুখ আর চলে না, কেবল চিৎকার করেন। ওঁর দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। মানুষ এবার সব গুটিয়ে দেবে।” তাঁর ইঙ্গিত, আগামী নির্বাচনে শ্রীরামপুর তো বটেই, গোটা রাজ্যেই তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতাদের আধিপত্য খর্ব হবে।
কেন এই আক্রমণ? সম্প্রতি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি নেতৃত্ব এবং দিলীপ ঘোষকে নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন। তারই পাল্টা হিসেবে দিলীপবাবু খড়গপুর থেকে এই ‘প্যাক আপ’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন। দিলীপ ঘোষের দাবি, সাধারণ মানুষ এখন বুঝতে পেরেছেন কারা কেবল বিনোদন দেন আর কারা কাজ করেন।
খড়গপুরের লড়াই: দিলীপ ঘোষ আরও জানান যে, খড়গপুর তথা পশ্চিম মেদিনীপুর এবার বিজেপি-র শক্ত ঘাঁটি হিসেবেই প্রমাণিত হবে। তাঁর কথায়, “যাঁরা ভাবছেন গায়ের জোরে বা চিৎকার করে ভোট পাবেন, তাঁরা ভুল করছেন। বিছানা-বালিশ বেঁধে তৈরি থাকুন, সময় সমাগত।”
তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া: দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দিলীপবাবু নিজেই এখন তাঁর দলে ‘প্রাসঙ্গিকতা’ হারানোর ভয়ে আছেন, তাই খবরের শিরোনামে থাকতে এসব বলছেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও, ঘাসফুল শিবির বিষয়টিকে ‘হতাশার বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবেই দেখছে।





