উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের (NFR) পরিকাঠামো উন্নয়ন ও যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক ম্যারাথন পরিদর্শনে বেরোলেন জেনারেল ম্যানেজার শ্রী চেতন কুমার শ্রীবাস্তব। ১৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ মরিয়নি-সিমলুগুড়ী-নিউ তিনসুকিয়া সেকশন জুড়ে চলল এই হাই-ভোল্টেজ ইন্সপেকশন। রেলের অপারেশনাল সুরক্ষা ও পরিকাঠামোর মান যাচাই করাই ছিল এই সফরের মূল লক্ষ্য।
পরিদর্শনের সবচেয়ে বড় চমক ছিল সিমলুগুড়ী সেকশনে ট্রেনের স্পিড ট্রায়াল। ট্রেনের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ১১০ কিলোমিটার করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, যা যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় অনেকটাই কমিয়ে দেবে। মরিয়নিতে জেনারেল ম্যানেজার একটি নতুন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন, যা রেলের ‘গ্রিন এনার্জি’ উদ্যোগকে আরও একধাপ এগিয়ে দিল। এছাড়া অটোমেটিক ব্লক সিগন্যালিং সিস্টেম ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের জন্য নতুন লার্জ ফরম্যাট ডিসপ্লে সিস্টেমটিও খতিয়ে দেখেন তিনি।
সুরক্ষার বিষয়ে কোনো আপস নয়—এই বার্তাই দিয়েছেন জিএম। নকচারিতে ইলেকট্রনিক ইনট্রুশন ডিটেকশন সিস্টেম এবং বিভিন্ন লেভেল ক্রসিং গেটের নিরাপত্তা প্রোটোকল খতিয়ে দেখেন তিনি। রেল কর্মীদের বাসস্থানের মানোন্নয়নে নবনির্মিত স্টাফ কোয়ার্টার ও খেলার মাঠেরও উদ্বোধন করেন শ্রীবাস্তব। রেলের এই আধুনিকীকরণ উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।