“এবার আর রক্ষা নেই!” তৃণমূলের বিসর্জন নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি শমীক-শুভেন্দুর, পাল্টা দিলেন কুণাল

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বাংলার রাজনৈতিক পারদ ততই চড়ছে। “পরিবর্তন” না “প্রত্যাবর্তন”—এই প্রশ্নে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। একদিকে বিজেপি নেতারা দাবি করছেন যে তৃণমূলের বিদায়ঘণ্টা বেজে গিয়েছে, অন্যদিকে ঘাসফুল শিবির আত্মবিশ্বাসী যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবারের জন্য নবান্নে ফিরছেন।

বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, নির্বাচন কত দফায় হবে বা কত কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে, তা নিয়ে বিজেপি মাথা ঘামাচ্ছে না। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে এবার তৃণমূলের ‘বিসর্জন’ নিশ্চিত। শমীকবাবুর কথায়, মানুষ এবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে রায় দিতে প্রস্তুত। অন্যদিকে, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই নির্বাচনকে “জীবন-মরণ” লড়াই হিসেবে দেখছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন বলেছিলেন “হয় এবার, নয় নেভার”, শুভেন্দুও আজ একই সুরে বলছেন যে এটিই কার্যত শেষ সুযোগ, যেখানে কোনো আপসের জায়গা নেই।

পাল্টা দিতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেসও। ঘাসফুল শিবিরের দীর্ঘদিনের সেনাপতি কুণাল ঘোষ বিজেপিকে রীতিমতো তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, বিজেপি দিবাস্বপ্ন দেখছে। কুণাল ঘোষের স্পষ্ট বার্তা, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল জনসমর্থন নিয়ে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। বিজেপি গতবারের মতো এবারও গো-হারান হারবে।” জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগই তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় ফেরাবে বলে দাবি তাঁর। সব মিলিয়ে, ভোটের আগেই বাগযুদ্ধে সরগরম বাংলা, যা আগামী দিনে আরও বড় সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy