জেফরি এপস্টিন যৌন কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত নতুন করে ফাঁস হওয়া নথিগুলি আমেরিকার রাজনৈতিক মহলে সুনামির সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার হোয়াইট হাউস প্রশাসনে এই ঘটনা এক নতুন অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ধামাচাপা পড়ে থাকা এই নথিগুলিতে এপস্টিনের দ্বীপ এবং তাঁর ব্যক্তিগত বিমানের যাত্রীদের তালিকায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম নতুন করে সামনে আসায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের অন্দরে এখন প্রশ্ন উঠছে, এই নথিগুলি কি ট্রাম্পের ভাবমূর্তিতে বড় কোনো আঘাত হানবে? যদিও ট্রাম্প শিবির বারবার দাবি করেছে যে, এপস্টিনের সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল নিছকই ব্যবসায়িক এবং বহু বছর আগেই সেই সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। কিন্তু বিরোধীরা এই ইস্যুটিকে হাতিয়ার করে ট্রাম্প প্রশাসনের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। আদালতের নির্দেশে জনসমক্ষে আসা এই হাজার হাজার পৃষ্ঠার নথিতে ট্রাম্পের নাম থাকার বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক সংবাদ শিরোনামে।
আইনজীবী এবং তদন্তকারীরা বলছেন, এই নথিগুলোতে সরাসরি কোনো অপরাধের প্রমাণ না থাকলেও, ক্ষমতার অলিন্দে থাকা ব্যক্তিদের সাথে এপস্টিনের ঘনিষ্ঠতা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এপস্টিনের সেই কুখ্যাত দ্বীপে কারা গিয়েছিলেন এবং সেখানে কী ধরনের কর্মকাণ্ড চলত, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল তুঙ্গে। হোয়াইট হাউস বর্তমানে এই বিতর্ক সামাল দিতে ব্যস্ত হলেও, জনরোষ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তথ্যগুলো নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ছে। আগামী দিনে এই নথি ঘিরে আরও কোনো বড় তথ্য ফাঁস হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।