বুধবার দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত দফার ভোট শেষ হতেই সারা দেশের নজর এখন বাংলার দিকে। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে কার পাল্লা ভারী, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এর মধ্যেই প্রকাশ্যে এল JVC (জেভিসি)-র বুথফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবার নবান্ন দখলের লড়াইয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে এমন লড়াই হতে চলেছে যা আগে কখনও দেখেনি বাংলা।
JVC-র আসন গণনার পূর্বাভাস:
জেভিসি-র বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ২৯৪ আসন বিশিষ্ট পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার (১৪৮) ছোঁয়া দুই প্রধান শিবিরের পক্ষেই চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাদের সমীক্ষা বলছে:
বিজেপি (BJP+): ১৩৮ থেকে ১৫৯টি আসন।
তৃণমূল কংগ্রেস (TMC): ১৩১ থেকে ১৫২টি আসন।
অন্যান্য (বাম-কংগ্রেস জোট ও নির্দল): ২ থেকে ৭টি আসন।
হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত:
জেভিসি-র এই পরিসংখ্যান বলছে, এবার কোনও দলই হয়তো একতরফাভাবে ক্ষমতায় আসতে পারছে না। যেখানে বিজেপির পালে হাওয়া লেগেছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে, সেখানে বর্তমান শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও কড়া টক্কর দিচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উভয় দলের পাল্লাই প্রায় সমান-সমান। সামান্য ব্যবধানেও বদলে যেতে পারে ক্ষমতার সমীকরণ।
রেকর্ড ভোট কি তবে পরিবর্তনের বার্তা?
উল্লেখ্য, আজ দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে রেকর্ড ৯২.৪৭ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বিপুল জনঅংশগ্রহণ এবং জেভিসি-র এই ‘নেক-টু-নেক’ লড়াইয়ের পূর্বাভাস ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ৪ মে ফলপ্রকাশের দিন বাংলার মানুষের জন্য এক বড়সড় চমক অপেক্ষা করছে।
সতর্কীকরণ:
মনে রাখবেন, এক্সিট পোল বা বুথফেরত সমীক্ষা মানেই চূড়ান্ত ফল নয়। এটি কেবলমাত্র ভোটারদের মতামতের ভিত্তিতে করা একটি সম্ভাব্য ধারণা। আগামী ৪ মে ইভিএম খোলার পরই স্পষ্ট হবে আগামী পাঁচ বছর বাংলার রাজদণ্ড কার হাতে থাকবে।





