একসঙ্গে তৈরি হচ্ছে ৭টি রেল আন্ডারপাস! বদলাতে চলেছে গোটা মেমারির ছবি, জানুন কোথায় কোথায় হচ্ছে কাজ

মেমারির বাসিন্দাদের জন্য দীপাবলির শুরুতেই মিলল এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক সুখবর। দীর্ঘদিনের যাতায়াতের ভোগান্তি কাটিয়ে একযোগে বিরাট উপহার পেতে চলেছেন এলাকার মানুষ। কেন্দ্র ও রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় মেমারি বিধানসভা এলাকায় গড়ে উঠতে চলেছে মোট সাতটি নতুন রেল আন্ডারপাস। রেল দফতরের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই এই গ্রিন সিগন্যাল জেলা প্রশাসনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং নকশাও চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলের মানুষ রেলগেটের কারণে যানজট ও যাতায়াতের নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছিলেন। দীর্ঘ বাম জমানা এবং পরবর্তীতে ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনকালেও যে সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়নি, এবার তা বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে। নতুন সরকার গঠনের পর মেমারির বিজেপি বিধায়ক মানব গুহ সরাসরি কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানান। মেমারি বিধানসভা এলাকায় বেশ কিছু রেল আন্ডারপাস এবং রসুলপুরে জিটি রোডের ওপর একটি সুবিশাল রেল ওভারব্রিজ তৈরির আর্জি জানান তিনি।

সেই আবেদনের ওপর ভিত্তি করেই অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করে রেল দফতর। পূর্ব রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী মেমারির সোবনা, কালসা আদিবাসীপাড়া, বাগিলা, তাতারপুর, রসুলপুর ও পালশিটে এই সাতটি রেল আন্ডারপাস নির্মাণের নকশা অনুমোদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতগুলির পক্ষ থেকে প্রদেয় ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (NOC) ইতিমধ্যেই রেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে বিধায়ক মানব গুহ বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম। আপাতত সাতটি আন্ডারপাসের অনুমোদন ও নকশা তৈরির কাজ শেষ। পঞ্চায়েতের থেকে এনওসি-ও জমা পড়ে গেছে। এটি নির্মিত হলে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা কতটা সহজ হবে, তা সবাই অনুধাবন করছেন। এটাই ডবল ইঞ্জিন সরকারের সত্যিকারের সাফল্য।” এখন কেবল কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা ও দ্রুত বাস্তবায়নের প্রহর গুনছেন মেমারির বাসিন্দারা।