২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় বাংলার রাজপথ থেকে বুথ— সর্বত্রই সাজ সাজ রব। বুধবার সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন বুথে দেখা গেল ভিআইপি-দের লম্বা লাইন। একদিকে যখন শাসক দলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট দিয়ে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস দেখালেন, অন্যদিকে বিজেপির ‘স্টার ক্যাম্পেনার’ মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীও সাধারণ মানুষের সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন।
বুথে বুথে চাঁদের হাট: এদিন কলকাতার ভোটগ্রহণে বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিনোদন ও রাজনীতির মেলবন্ধন।
মিঠুন চক্রবর্তী: উত্তর কলকাতার একটি বুথে ভোট দিয়ে মহাগুরু বলেন, “গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়া সবার কর্তব্য। আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি।” তাঁর উপস্থিতি ঘিরে বুথ চত্বরে সাধারণ মানুষের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: দক্ষিণ কলকাতার বুথে সপরিবারে ভোট দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি উন্নয়নের পক্ষে সওয়াল করেন এবং বাংলায় ‘শান্তিপূর্ণ’ ভোটের প্রশংসা করেন।
মহুয়া মৈত্র: নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে সকাল সকাল ভোট দেন কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন সাংসদ তথা এবারের প্রার্থী মহুয়া মৈত্র। তাঁর স্পষ্ট কথা, “মানুষ কাজের নিরিখেই বিচার করবে।”
কলকাতার ভোট যুদ্ধে বিশিষ্টরা: শুধু রাজনীতিকরাই নন, এদিন কলকাতার বিভিন্ন বুথে টলিউড তারকাদের ভিড়ও ছিল নজরকাড়া। বিশিষ্ট অভিনেতা ও শিল্পীরা সাধারণ ভোটারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে বার্তা দিলেন এক শক্তিশালী গণতন্ত্রের।
কড়া নিরাপত্তায় দ্বিতীয় দফা: হেভিওয়েটদের আনাগোনা থাকায় বিশেষ করে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বুথগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল নিশ্ছিদ্র। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারাও ময়দানে ছিলেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই হেভিওয়েটদের ভোটদানের ছবি ও তাঁদের বয়ান ভোটারদের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। বিকেল গড়াতেই এই ভিআইপি কেন্দ্রগুলোতে ভোটের হার আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।





