মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে জটিল হচ্ছে। একদিকে লেবাননের বৈরুতে ইজরায়েলি হানায় লাশের পাহাড় জমছে, অন্যদিকে খোদ ইরানের ক্ষমতা কাঠামোয় বড়সড় ধস নেমেছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বড় বয়ান দিল ইউরোপীয় শক্তি জার্মানি। জার্মানির বিদেশ মন্ত্রকের মতে, ইরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ‘কাম্য’ হলেও তা কোনও বহিরাগত শক্তির মাধ্যমে নয়, বরং দেশের ভেতর থেকেই আসা উচিত।
জার্মানির কড়া অবস্থান: সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জার্মান বিদেশমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, ইরাক বা লিবিয়ার মতো সামরিক হস্তক্ষেপে কোনো সুফল আসে না। ইরানের শাসকের ‘নিষ্ঠুরতা’ ও ‘বর্বরতা’র অবসান ঘটাতে ইরানের সাধারণ মানুষকেই পথ দেখাতে হবে। আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ভেতর থেকেই আসতে হবে বলে মনে করে বার্লিন।
লারিজানির মৃত্যু ও ইরানের সংকট: এদিকে ইরান কার্যত শোকস্তব্ধ। ইজরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। লারিজানি ছিলেন ইরানের প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত পরিকল্পনার অন্যতম স্তম্ভ। তাঁর প্রয়াণ তেহরানের জন্য এক বিশাল ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৈরুতে মৃত্যুমিছিল: লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইজরায়েলি হামলা এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে টার্গেট করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
সারসংক্ষেপ:
-
জার্মানির বার্তা: সামরিক হস্তক্ষেপে নয়, ইরানের পরিবর্তন আসুক জনগণের বিদ্রোহে।
-
বড় ক্ষতি: নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানির মৃত্যুতে কোণঠাসা ইরান।
-
রক্তাক্ত বৈরুত: ইজরায়েলি হানায় লেবাননে মানবিক বিপর্যয়।