মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের দামামা? পরমাণু ও শান্তি চুক্তি নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হতেই এবার চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোজাসাপ্টা ভাষায় ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান যদি আমেরিকার শর্ত মেনে না নেয়, তবে দেশটিকে সম্পূর্ণ ‘নৌ-অবরোধ’ (Naval Blockade) বা নৌসেনা দিয়ে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন।
ভেনেজুয়েলা মডেলে ইরানকে পঙ্গু করার ছক
ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন শেয়ার করে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করেছেন, যেভাবে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিকে কোণঠাঁসা করে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছিল, ঠিক একই কৌশলে এবার ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এই ‘নাভাল ব্লকেড’ বা জলপথে অবরোধের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের তেল রপ্তানি এবং বৈদেশিক বাণিজ্য পুরোপুরি স্তব্ধ করে দেওয়া।
কেন এই চরম সিদ্ধান্ত?
দীর্ঘদিন ধরে চলা শান্তি আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় ধৈর্য হারিয়েছে হোয়াইট হাউস। ট্রাম্পের দাবি:
ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
আমেরিকার আরোপিত কঠোর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে।
অন্যথায়, জলপথে সামরিক বেষ্টনী তৈরি করে ইরানের আমদান-রপ্তানি শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।
বিশ্ব বাজারে এর প্রভাব কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সত্যিই আমেরিকা ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করে, তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় আকাশছোঁয়া হতে পারে। একইসঙ্গে পারস্য উপসাগরে দুই দেশের নৌবাহিনীর মুখোমুখি সংঘর্ষের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না, যা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।





