বাংলাদেশে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে মারার আঁচ এবার আছড়ে পড়ল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। বুধবার সকাল থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙা ও পেট্রাপোল সীমান্ত এলাকা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ‘সনাতনী জাতীয়তাবাদী মঞ্চ’ ও ‘সনাতনী ঐক্য পরিষদ’-এর ডাকে কয়েক হাজার মানুষ সীমান্তে জমায়েত হয়ে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
বসিরহাটের ঘোজাডাঙা সীমান্তে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছায় যখন বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের পণ্যবাহী ট্রাক আটকে দেন। বিজেপি নেতা রাজেন্দ্র সাহাকে এক বাংলাদেশি ট্রাক চালককে আঙুল উঁচিয়ে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায়। তিনি স্পষ্ট জানান, “ওপারে হিন্দু নির্যাতন বন্ধ না হলে ভারত থেকে চাল, ডাল, পেঁয়াজ পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া হবে।” একই ছবি ধরা পড়েছে পেট্রাপোলেও, যেখানে বিশাল পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে জিরো পয়েন্টে যাওয়ার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ডাকে সাড়া দিয়ে এদিন মালদহ থেকে বনগাঁ—প্রতিটি সীমান্তেই বাণিজ্যের চাকা কার্যত থমকে যায়। বিএসএফ ও পুলিশের কড়া প্রহরার মধ্যেও ওপার বাংলার প্রশাসনের প্রতি বিক্ষোভকারীদের তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভ স্পষ্ট ধরা পড়েছে।