পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠল। ইরানের কারাজে নির্মীয়মাণ বি-১ (B-1) সেতুর ওপর আমেরিকার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে আধুনিক স্থাপত্যের এই বিস্ময়। ১৩৬ মিটার উঁচু এই সেতুটি তেহরানের সঙ্গে কারাজ শহরের সংযোগকারী ছিল। হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় দম্ভোক্তি করে লিখেছেন, “ইরানের সবথেকে বড় সেতুটি ধুলোয় মিশে গেল। মনে রাখবেন, আরও অনেক কিছু বাকি!”
ইরানের পাল্টা হুমকি:
এই ধ্বংসলীলার জবাবে চুপ নেই তেহরানও। সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, ইরান এবার ‘ইঁটের বদলে পাটকেল’ নীতি নিতে চলেছে। তাদের নিশানায় রয়েছে কুয়েতের শেখ জাবের আল-আহমদ ব্রিজ, সৌদি-বাহরাইন সংযোগকারী কিং ফাহাদ কজওয়ে এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেতু। জর্ডনের কিং হোসেন সেতুকেও নিশানার তালিকায় রাখা হয়েছে বলে খবর।
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামী দুই-তিন সপ্তাহ এই হামলা চলবে। তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো। ট্রাম্পের দাবি, সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই ইরান যেন সমঝোতায় আসে। এই সংঘাতের জেরে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মানবিক সংকটের পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড়সড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।





