দীপান্বিতা অমাবস্যার দিনে কালীক্ষেত্র কলকাতার সমস্ত কালী মন্দিরগুলিতেই পুজো দিতে সকাল থেকে ভিড় করেছেন ভক্তরা। এরমধ্যে অন্যতম হলো দক্ষিণেশ্বরের মা ভবতারিণীর মন্দির। সমস্ত রীতিনীতি মেনেই ভোরের মঙ্গল আরতি দিয়ে শুরু হয়েছে পুজোর আরাধনা।
সকাল ছ’টা থেকেই মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য। পুজো দিতে আসা আবালবৃদ্ধবনিতা পুজোর ডালি হাতে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে মায়ের দর্শন পেয়েছেন। দূর দূরান্ত থেকে এসেও কালীপুজোর দিনে ভবতারিণী মায়ের দর্শন পেয়ে ভক্তরা মনের প্রশান্তি পেয়েছেন বলে জানান।
মাকেই প্রথম নিমন্ত্রণ ভাবী দম্পতির
মন্দিরে পুজো দিতে এসেছিলেন ভাবী দম্পতি রুবী এবং মনোজিত। তাঁরা জানান, আগামী মাসেই তাঁদের বিয়ে, তাই কালীপুজোর দিনে মা ভবতারিণীকে পুজো দিয়ে মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে মাকেই করলেন বিয়ের প্রথম নিমন্ত্রণ। অন্যদিকে, কৃষ্ণনগর থেকে আসা পুজা রাই জানান, দক্ষিণেশ্বরের মায়ের মন্দিরে এসে পুজো দিয়ে এক অনন্য শান্তি পাওয়া যায়।
রাত সাড়ে দশটায় বিশেষ পুজো
ভক্তের ঢল আর ঢাকের বোলে সন্ধ্যা নামে দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণীর মন্দিরে। কালীপুজো উপলক্ষে আলোর মালায় ভরে ওঠে মন্দিরের প্রাঙ্গণ।
মন্দির সূত্রে খবর, কালীপুজোর বিশেষ পুজো শুরু হবে রাত সাড়ে দশটায় গঙ্গায় ঘট স্নানের পর। ওই সময় রাতে জোয়ারের জলে ঘট ডুবিয়ে তা মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ওই জল দিয়ে মাকে স্নান করানোর পর শুরু হয় পুজো। এ বারও তাই হবে। বিশেষ বেনারসি শাড়ির সঙ্গে প্রচুর সোনার গয়নায় সাজবেন মা। পুজো শেষে রাত দেড়টা নাগাদ শুরু হবে যজ্ঞ।