মেয়াদ শেষের আগেই রাজ্যের হিমঘরগুলিতে আলু সংরক্ষণের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৩০ নভেম্বরের বদলে রাজ্যের হিমঘরগুলিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আলু সংরক্ষণ করা যাবে। এই সিদ্ধান্তে চাষি ও সংরক্ষণকারীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, বাড়তি হিমঘর ভাড়া গুণতে হওয়ার কারণে লোকসানের বহর বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাড়তি সময়, বাড়তি লোকসান
চলতি বছর বেশি মাত্রায় উৎপাদনের কারণে আলুর বাজারদর সেভাবে বাড়েনি। বছরভর হিমঘরের দরজায় পাইকারি জ্যোতি আলুর দর ₹১০ প্রতি কিলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে বস্তা পিছু মোটা অঙ্কের ₹৯৭ হিমঘর ভাড়া দিয়েও লাভ করতে পারেননি চাষি ও সংরক্ষণকারীরা।
মজুত আলুর পরিমাণ: সরকারি হিসাবে এখনও রাজ্যের হিমঘরগুলিতে মোট সংরক্ষিত আলুর ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ মজুত রয়েছে। এই বিশাল পরিমাণ মজুত নিয়েই ৩০ নভেম্বরের সময়সীমা নিয়ে চিন্তায় ছিলেন তাঁরা।
স্বস্তি ও চিন্তা: মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করায় আলু সরাতে কিছুটা সময় মিলল, যা চাষিদের সাময়িক স্বস্তি দিয়েছে। তবে এই স্বস্তির বিপরীতেই রয়েছে বড় চিন্তা।
বস্তা পিছু বাড়তি ভাড়া ₹১০.১১
সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বাড়তি এই এক মাস আলু সংরক্ষণের জন্য আনুপাতিক হারে বস্তা পিছু চাষি ও সংরক্ষণকারীদের ₹১০.১১ পয়সা হিমঘর ভাড়া গুণতে হবে।
আলু চাষি ও সংরক্ষণকারীদের দাবি, আলুর দাম না ওঠায় আগে থেকেই ₹৯৭ ভাড়া দিয়ে তাঁদের লোকসান হয়েছে। এরপর ফের হিমঘর ভাড়া বৃদ্ধি করায় তাঁদের সেই লোকসানের বহর আরও অনেকটা বৃদ্ধি পাবে বলেই তাঁদের আশঙ্কা।