আর মাত্র কয়েকদিন বাকি! ৭ কোটির বেশি আইটিআর জমা পড়লেও আপনি কি করেছেন? জানুন ডেডলাইন

অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার (AY) ২০২৬-২৭-এর জন্য ইতিমধ্যেই ৭ কোটির বেশি আয়কর রিটার্ন (ITR) জমা পড়েছে বলে জানাল আয়কর দপ্তর। যে সব করদাতার ব্যবসা বা পেশাগত আয় আছে কিন্তু অডিটের প্রয়োজন নেই, তাঁদের জন্য রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ আগস্ট। পাশাপাশি অন্যান্য করদাতাদের জন্যও নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
আয়কর দপ্তর তাদের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে জানিয়েছে, গত ২৭ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে ৭ কোটির বেশি আইটিআর ফাইল করা হয়েছে। ফাইন্যান্স অ্যাক্ট, ২০২৬-এর মাধ্যমে আয়কর আইনে আনা কিছু পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই এই নতুন নিয়ম ও তারিখগুলি নির্ধারিত হয়েছে।
বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আইটিআর জমার শেষ তারিখ
বিনা অডিটের ব্যবসা বা পেশা: যে সমস্ত ব্যবসায়ী বা পেশাদারদের অ্যাকাউন্ট অডিট করার প্রয়োজন নেই, তাঁরা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
অডিট বাধ্যতামূলক যাঁদের: কোম্পানি এবং যে সব করদাতার অ্যাকাউন্ট অডিট করা বাধ্যতামূলক, তাঁদের জন্য শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ৩১ অক্টোবর।
ট্রান্সফার-প্রাইসিং: সেকশন 92E-এর অধীনে ট্রান্সফার-প্রাইসিংয়ের আওতায় থাকা করদাতাদের জন্য শেষ তারিখ রাখা হয়েছে ৩০ নভেম্বর।
আয়কর দপ্তরের স্পষ্ট নির্দেশ, শেষ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রিটার্ন ফাইল সম্পন্ন করা উচিত। উল্লেখ্য, AY 2026-27 বলতে ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে অর্জিত আয়কে বোঝায়। ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে নতুন আয়কর আইন কার্যকর হলেও এই রিটার্নগুলি পুরনো আয়কর আইন, ১৯৬১ অনুসারেই পরিচালিত হচ্ছে।
দেরিতে রিটার্ন ও ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত নিয়ম নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যে কেউ রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হলে, তাঁরা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত দেরিতে রিটার্ন (belated return) ফাইল করার সুযোগ পাবেন। তবে সে ক্ষেত্রে মোট আয় ৫ লক্ষ টাকার কম হলে ১,০০০ টাকা এবং অন্যথায় ৫,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। এছাড়া রিটার্ন ফাইল করার পাশাপাশি তা ই-ভেরিফাই করা বাধ্যতামূলক। ফাইলিংয়ের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে দেরিতে ফাইল করার জরিমানা লাগু হতে পারে।