আপনি যে আপেল খাচ্ছেন তা কি ১ বছরের পুরোনো? জেনে নিন বাজারের আসল রহস্য!

বাজার থেকে আমরা যে চকচকে লাল আপেল কিনি, তার অধিকাংশই আসলে ৮ থেকে ১০ মাস, এমনকি এক বছর আগের! হিমাচল ও কাশ্মীরে আপেল আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে উৎপাদিত হয়। যেহেতু সারা বছর তাজা আপেল পাওয়া অসম্ভব, তাই অক্টোবর থেকে পরের বছরের জুলাই পর্যন্ত আপেলগুলোকে বিশেষ কোল্ড স্টোরেজে রাখা হয়। সেখানে কৃত্রিম পরিবেশে তাপমাত্রা কমিয়ে অক্সিজেন কমিয়ে দেওয়া হয়, যাতে আপেল ‘কোমা’ বা গভীর ঘুমে চলে যায়। শুকিয়ে যাওয়া ঠেকাতে আপেলের ওপর লাগানো হয় বিশেষ খাদ্যোপযোগী মোমের প্রলেপ।

তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। যদিও এই প্রক্রিয়ায় ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিছুটা কমতে পারে, কিন্তু ফাইবার, পটাশিয়াম এবং কার্বোহাইড্রেট ১০০% অক্ষত থাকে। খাওয়ার আগে গরম জলে ভালো করে ধুয়ে মোম ও ধুলো পরিষ্কার করে নিন। যদি একদম ‘তাজা’ আপেল চান, তবে মার্চ থেকে মে মাসের বিদেশি আপেল (নিউজিল্যান্ড বা চিলি) দেখতে পারেন, যা সাধারণত ৪৫ দিনের বেশি পুরোনো হয় না। মনে রাখবেন, কলা, আম, পেঁপে বা আঙুরের মতো অধিকাংশ ফল কিন্তু ৩-১০ দিনের বেশি বাসি হয় না, কারণ এগুলো কোল্ড স্টোরেজে রাখা যায় না। তাই আপেল ছাড়াও কিউই বা নাশপাতির মতো অল্প কিছু ফল ছাড়া বাকি ফলগুলো কিন্তু বেশ টাটকা।