বুধবারের নজিরবিহীন হট্টগোলের পর আজ, বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর জবাবি ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গতকাল রাহুল গান্ধীকে লক্ষ্য করে ‘বিশ্বাসঘাতক’ মন্তব্য এবং গান্ধী পরিবারকে অপমানের অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে লোকসভার নিম্নকক্ষ। বিরোধীদের লাগাতার বিক্ষোভের জেরে গতকাল ভাষণ না দিয়েই কক্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য হন প্রধানমন্ত্রী।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, বিরোধী শিবিরের মহিলা সাংসদরা স্পিকারের নির্দেশ অমান্য করে ওয়েলে নেমে আসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর আসন ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি ও নিশিকান্ত দুবের সঙ্গে বিরোধী সাংসদ জ্যোতিমণি ও বর্ষা গায়কোয়াড়দের তীব্র বাদানুবাদ সংসদীয় ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। চিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য সমঝোতার মতো একাধিক কূটনৈতিক ইস্যুতেও সরব ছিলেন বিরোধীরা।
বিকেল ৫টায় অধিবেশন পুনরায় শুরু হলেও বিক্ষোভের তীব্রতা না কমায় স্পিকার ওম বিড়লা সভা মুলতুবি করে দেন। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের এই আক্রমণের পালটা কী জবাব দেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।