পশ্চিম এশিয়ায় ইরান বনাম ইজরায়েল ও আমেরিকার রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে ভারতের সাধারণ মানুষের পকেটে। সোমবার (২৩ মার্চ, ২০২৬) এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানালেন, বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া এই জ্বালানি সংকট আগামী কয়েক মাস ভারতের জন্য অত্যন্ত ‘চ্যালেঞ্জিং’ হতে চলেছে। বিশেষ করে ২০২৬-এর এই তপ্ত গ্রীষ্মকাল ভারতের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিম এশিয়ায় চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা (Supply Chain) বিঘ্নিত হয়েছে। ভারত তার ৮০ শতাংশের বেশি তেল আমদানি করে, তাই এই সংকটের প্রভাব এড়িয়ে যাওয়া কঠিন। আসন্ন গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে এবং তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে পরিবহন খরচও বাড়তে পারে। আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে।” মোদী স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি ‘আচ্ছে দিন’-এর স্বস্তি কেড়ে নিয়ে ‘দুর্দিনের’ মেঘ ঘনিয়ে আনছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের মুখে তেলের দাম বৃদ্ধি কেন্দ্রের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ। ইরান যদি হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়, তবে ভারতের জন্য জ্বালানি তেলের সংস্থান করা কঠিন হয়ে পড়বে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে সরকার বিকল্প ব্যবস্থার চেষ্টা করছে, তবে আমজনতাকে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।