ক্যালেন্ডারের পাতায় ২৯ মার্চ তারিখটিতে লাল গোল্লা দিয়ে রেখেছেন কেকেআর সমর্থকরা। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু মাঠের লড়াই শুরুর আগেই মাঠের বাইরের এক ‘অদৃশ্য’ লড়াইয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে নাইট শিবির। দুশ্চিন্তার কারণ— দলের অন্যতম সেরা অস্ত্র সুনীল নারাইন।
কেন এই অনিশ্চয়তা? মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা বিপর্যস্ত। বিশেষ করে ইরান এবং ইজরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় অনেক রুটে বিমান চলাচল বন্ধ বা ঘুরপথে চলছে।
-
ভ্রমণ জটিলতা: ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ভারতে আসার পথে নারাইনকে যে রুট ব্যবহার করতে হয়, সেখানে বড় ধরনের সময় বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
-
ডেডলাইন মিস: কেকেআর ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নারাইনকে আগামী ২০ মার্চের মধ্যে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর যাত্রা বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে।
২৫ মার্চের ডেডলাইন কেকেআর সূত্রে খবর, আগামী ২৫ মার্চ মুম্বইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে গোটা দল। যদি নারাইন তার আগে কলকাতায় পৌঁছাতে না পারেন, তবে তাঁকে সরাসরি মুম্বইয়ে পাঠানোর চেষ্টা করা হবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে ‘জেট ল্যাগ’ এবং অনুশীলনের অভাব বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিকল্প ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট সুনীল নারাইন যদি প্রথম ম্যাচে খেলতে না পারেন, তবে কেকেআর-এর বোলিং এবং ওপেনিং কম্বিনেশন— দুই জায়গাতেই বড় ধাক্কা লাগবে। সেক্ষেত্রে কি কোনো নতুন বিদেশি স্পিনারকে দেখা যাবে? নাকি বরুণ চক্রবর্তী আর সুয়াশ শর্মার ওপরই ভরসা রাখবেন মেন্টর গৌতম গম্ভীর? উত্তর খুঁজছে নাইট ম্যানেজমেন্ট।
সম্পাদকের নোট: কেকেআর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স মানেই এক হাই-ভোল্টেজ লড়াই। আর সেই লড়াইয়ে নারাইন না থাকা মানে প্রতিপক্ষের জন্য বড় অ্যাডভান্টেজ। ভক্তরা এখন শুধু প্রার্থনা করছেন যেন যুদ্ধের আঁচ নাইটদের পারফরম্যান্সে না লাগে।