বনগাঁর একটি বিতর্কিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনি சிக்கলে পড়লেন অভিনেত্রী ও প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জশিট গঠন করা হয়েছে। আদালত সূত্রে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মিমি চক্রবর্তীকে সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে হবে।
ঘটনার সূত্রপাত: গত ২৬ জানুয়ারি বনগাঁর গোপালগঞ্জ এলাকায় একটি মঞ্চানুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগ, সেই অনুষ্ঠান চলাকালীন উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রী তাঁকে মঞ্চ থেকে অভদ্রভাবে নেমে যেতে বলেন। এর প্রেক্ষিতে মিমি স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মিমির সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তনয় শাস্ত্রীর বাড়িতে তদন্তে যায়। সেই সময় পুলিশি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তনয়কে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং তাঁকে জেল খাটতে হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর দাবি: এই ঘটনার পর তনয় শাস্ত্রী পাল্টা আইনি লড়াই শুরু করেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, মিমি চক্রবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁকে অকারণে জেলে পাঠিয়েছিলেন। তনয় বলেন, “তিনি (মিমি) আজ পর্যন্ত একবারও আদালতে হাজিরা দেননি, বরং প্রতিবার তারিখ চেয়ে সময় কাটিয়েছেন। বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।” তনয়ের দাবি, তাঁর আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির আবেদনের ভিত্তিতেই আদালত চার্জশিট গঠনের নির্দেশ দেয়। তনয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এই আইনি লড়াইয়ের শেষ দেখে ছাড়বেন।
মিমি চক্রবর্তীর অবস্থান: এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত অভিনেত্রী বা তাঁর আইনি টিমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এক সপ্তাহের মধ্যে হাজিরা না দিলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা।





