নদীয়ার তেহট্টে এক অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য ঘটনার জেরে জেলে যেতে হলো এক প্রাথমিক স্কুল শিক্ষককে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ—তিনি নাকি ‘অলৌকিক’ উপায়ে অন্ধ ব্যক্তির দৃষ্টি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করে মানুষের সাথে প্রতারণা করছেন। বিজ্ঞানের যুগে এই ধরনের দাবি ঘিরেই শুরু হয়েছে আইনি ও সামাজিক তরজা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই শিক্ষক দীর্ঘ দিন ধরেই দাবি করে আসছিলেন যে তিনি বিশেষ পদ্ধতি বা আধ্যাত্মিক শক্তির মাধ্যমে দৃষ্টিহীনদের আলো ফেরাতে পারেন। সম্প্রতি তেহট্টের এক যুবকের দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। কিন্তু বিজ্ঞান মঞ্চ এবং যুক্তিবাদী সংগঠনগুলির অভিযোগ, ওই শিক্ষক সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন এবং চিকিৎসার নামে কুসংস্কার ছড়াচ্ছেন। পুলিশি তদন্তে নেমে দেখা যায়, কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি ছাড়াই তিনি এই কাজ করছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। শিক্ষকের অনুগামীদের দাবি, তিনি তো মানুষের সেবা করছিলেন, তবে কেন তাঁকে জেলে যেতে হলো? অন্যদিকে, প্রশাসনের বক্তব্য—বিজ্ঞানের অপব্যাখ্যা এবং প্রতারণা রুখতেই এই কড়া পদক্ষেপ।