অখিলেশের ‘৪০০ প্লাস’ দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে বড় হুঙ্কার উপমুখ্যমন্ত্রীর, রাজ্যসভার লড়াইয়ে কাদের ওপর ভরসা রাখল পদ্মশিবির?

: উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়ে ৬ অক্টোবর লখনউয়ের বিধান ভবনে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের উপস্থিতিতে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আট জন প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য তাঁদের মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন। মনোনয়ন জমাদানের এই শেষ দিনে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পঙ্কজ চৌধুরী, দুই উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য ও ব্রजेश পাঠকসহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য বিরোধী শিবিরের সমস্ত অনুমান উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের ব্যাপারে চরম আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, সমাজবাদী পার্টি (এসপি) তৃতীয় কোনো প্রার্থী দিক বা না দিক, বিজেপির আটজন প্রার্থীই বিজয়ী হবেন। বিজেপির এই প্রার্থী তালিকায় দল ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ নীতির প্রকৃত রূপ ফুটিয়ে তুলেছে। যেখানে অনগ্রসর, তফশিলি জাতি এবং অগ্রণী সমাজের যোগ্য প্রতিনিধিত্বের এক অপূর্ব ‘ত্রিবেণী’ বা সঙ্গম দেখা যাচ্ছে। অখিলেশ যাদবের পূর্বের নির্বাচনী পরিসংখ্যানের সমালোচনা করে কেশব মৌর্য বলেন, “অখিলেশজি ২০২২ সালে ‘৪০৩’ আসনের কথা বলেছিলেন কিন্তু তারা ১১১ আসনেই আটকে গিয়েছিল। এবারও তারা বড় বড় কথা বলছেন, কিন্তু এই দফায় তারা একশো রানের গণ্ডিও পেরোতে পারবেন না।” উল্লেখ্য, আসন্ন ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপি যে আটটি নাম ঘোষণা করেছে, তাঁরা হলেন— ধর্মপাল সিং, বিদ্যাসাগর সোনকার, রাম প্রতাপ সিং, প্রিয়াঙ্কা রাওয়াত, রাধাকান্ত ওঝা, গোপীকৃষ্ণ পাণ্ডে, শ্রুতি গঙ্গোয়ার এবং প্রকাশ পাল। দলের এই সুষম প্রার্থী নির্বাচন প্রসঙ্গে নবঘোষিত প্রার্থী বিদ্যাসাগর সোনকার কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বুথ স্তর থেকে শুরু করে দীর্ঘকাল ধরে তিনি দলের একজননিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ‘অন্ত্যোদয়’ এবং সামাজিক সুষম উন্নয়নের নীতিকে সামনে রেখে তিনি মানুষের কল্যাণে আগামী দিনেও নিজের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবেন।