মঙ্গলবারই ঘাসফুল শিবিরের পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার কথা। কিন্তু তার ঠিক আগের রাতেও প্রশ্নটা দুলছে বাংলার বাতাসে—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি ফের তাঁর খাসতালুক ভবানীপুরেই দাঁড়াচ্ছেন? নাকি এবারও দেখা যাবে নতুন কোনো চমক? তৃণমূল সুপ্রিমো নিজেই বারবার বলেন, “বাংলার ২৯৪টি আসনেই আমি প্রার্থী।” কিন্তু গতবার নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হারের সেই ক্ষত এখনও টাটকা। এবার সেই ভবানীপুরেই মমতাকে ‘আটকে’ ফেলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করছেন বিরোধী দলনেতা।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে সবাইকে চমকে দিয়ে ভবানীপুর ছেড়েছিলেন মমতা। লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। যদিও পরে উপ-নির্বাচনে জিতে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রের খবর, শুভেন্দু এবার মমতাকে নিজের কেন্দ্রেই ব্যতিব্যস্ত রাখার কৌশল নিয়েছেন। যদি মমতাকে ভবানীপুরেই বেশি সময় ব্যয় করতে হয়, তবে তিনি সারা রাজ্যে প্রচারের সময় কম পাবেন—আর এটাই শুভেন্দুর অন্যতম চাল।
তৃণমূলের অন্দরের খবর, এবার কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ মমতা। ঘরের মেয়ে ঘরের কেন্দ্রে ফিরলে যেমন কর্মীদের মনোবল বাড়বে, তেমনই বিরোধী শিবিরের আক্রমণকেও মোকাবিলা করা সহজ হবে। তবে শুভেন্দু যেভাবে কোমর বেঁধে নামছেন, তাতে ভবানীপুর এবারও হাই-প্রোফাইল ব্যাটলগ্রাউন্ড হতে চলেছে। এখন দেখার, কালকের তালিকায় মমতার নাম ভবানীপুরেই থাকে নাকি তৃণমূল নেত্রী ফের কোনো বড় চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন।