পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক রণক্ষেত্র নিয়ে লোকসভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য পেশ করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে শুরু হওয়া সামরিক সংঘাত এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এই সংঘাতের আবহে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মোদি। বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোকপাত করার পর, আজ সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়ে মুখ খুললেন তিনি।
বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ইতিমধ্যেই সংসদের দুই কক্ষে এই সংঘাতের ভয়াবহতা নিয়ে রিপোর্ট দিয়েছেন। তবে খোদ প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলিতে আটকে থাকা হাজার হাজার ভারতীয়র নিরাপত্তা ও তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘রোডম্যাপ’ কী, তা নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারেন মোদি।
ইরানে যৌথ আক্রমণের পর থেকে যেভাবে তেলের দাম ও বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তাতে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করাই এখন প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য। আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করতে কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই একাধিক উদ্ধারকারী বিমান ও জাহাজের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মোদির কথায়, “বিশ্বের যে প্রান্তেই ভারতীয়রা বিপদে পড়বেন, সরকার তাঁদের পাশে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর।” বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের এই ‘সক্রিয় কূটনীতি’ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।