২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হতে চলেছে নতুন আয়কর আইন (Income Tax Act 2025)। ফেব্রুয়ারি মাসে পেশ করা কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী, সাধারণ করদাতা থেকে শুরু করে শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারী— প্রত্যেকের জন্যই একগুচ্ছ নতুন নিয়ম নিয়ে আসছে আয়কর দপ্তর। সময় থাকতে এই পরিবর্তনগুলো না জানলে আর্থিক বছরের শুরুতেই বড়সড় আইনি জটিলতায় বা আর্থিক লোকসানে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এবারের বাজেটের সবথেকে আলোচিত পরিবর্তনটি হলো শেয়ার বাজারের ডেরিভেটিভস বা F&O (Future and Options) ট্রেডিংয়ের ওপর সিকিউরিটি ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (STT) বৃদ্ধি। ফাটকা কারবার কমাতে এবং খুচরো বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমাতে সরকার এই ক্ষেত্রে করের বোঝা বাড়িয়েছে। এর ফলে যারা নিয়মিত অপশন ট্রেডিং করেন, তাঁদের লাভের একটা বড় অংশ এখন কর হিসেবে সরকারি কোষাগারে যাবে। এছাড়াও, ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন (ITR) জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন ডেডলাইন এবং সংশোধিত রিটার্ন জমার প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যাতে কর ফাঁকি দেওয়া কঠিন হয়।
আয়কর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করদাতাদের সুবিধার্থে আইটিআর ফর্মগুলি আরও সহজ করা হলেও স্ক্রুটিনির হার বাড়ানো হচ্ছে। ১ এপ্রিল থেকে নতুন ট্যাক্স স্ল্যাব অনুযায়ী টিডিএস (TDS) কাটা শুরু হবে। তাই বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, চলতি মাসের মধ্যেই তাঁদের বিনিয়োগের প্রমাণপত্র গুছিয়ে রাখতে এবং নতুন নিয়মের সাথে নিজেদের পোর্টফোলিও সামঞ্জস্য করে নিতে। বিশেষ করে ডিজিটাল অ্যাসেট এবং হাই-ভ্যালু ট্রানজ্যাকশনের ওপর নজরদারি আরও কড়া হতে চলেছে এই নতুন অর্থবর্ষে।