বর্তমানে ভারতে ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এর থেকেই স্পষ্ট যে সাধারণ মানুষ এখন উপার্জনের বিকল্প পথ হিসেবে শেয়ার বাজারকে বেছে নিচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, না বুঝে বিনিয়োগ করলে লাভের বদলে লোকসানের আশঙ্কাই বেশি।
স্মার্ট ইনভেস্টিং-এর আসল কৌশল: সাধারণত কোনো স্টকের দাম পড়তে শুরু করলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ভয়ে শেয়ার বিক্রি করে দেন। কিন্তু চতুর বা ‘স্মার্ট’ বিনিয়োগকারীরা তখন দেখেন “ডাইভারজেন্স” (Divergence)। টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর যেমন RSI (Relative Strength Index) ব্যবহার করে তাঁরা বোঝার চেষ্টা করেন যে, স্টকের দাম কমলেও ভেতরে ভেতরে বড় অঙ্কের কেনাবেচা বা ‘স্মার্ট মানি’ ঢুকছে কিনা।
উদাহরণ হিসেবে ‘কিরলোস্কার অয়েল ইঞ্জিনস’: প্রতিবেদনে একটি কেস স্টাডি তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারিতে এই স্টকের দাম ৫৭১ টাকা থেকে কমে ৫৪৪ টাকা হয়েছিল। কিন্তু একই সময়ে এর RSI ১৩ থেকে বেড়ে ১৬ হয়। এটিই ছিল সংকেত যে দাম শীঘ্রই বাড়বে। ফলস্বরূপ, স্টকটির দাম পরে ৭৭৬ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। অর্থাৎ, সঠিক সময়ে এই কৌশল বুঝলে ৮৬ শতাংশের বেশি লাভ করা সম্ভব ছিল।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সতর্কতা:
অন্ধভাবে বিশ্বাস নয়: কারো কথায় প্রভাবিত না হয়ে নিজে চার্ট বিশ্লেষণ করতে শিখুন।
টেকনিক্যাল টুলের ব্যবহার: RSI বা ডাইভারজেন্সের মতো টুলগুলো ব্যবহার করে স্টকের ভিতরের শক্তি বোঝার চেষ্টা করুন।
ঝুঁকি ও সময়: এক বছরে ৮০-১০০% রিটার্ন পেতে গেলে কিছুটা ঝুঁকি নিতেই হবে এবং ধৈর্য ধরতে হবে।





