অন্ধ্রপ্রদেশ-কর্ণাটক সীমান্তে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে মদের কারবার চালাতে গিয়ে শ্রীঘরে ঠাঁই হলো এক বাবা ও মেয়ের। শ্রী সত্য সাই জেলার আগালি মণ্ডলে একটি খাবারের হোটেলের আড়ালে চলছিল কর্ণাটক থেকে আসা অবৈধ মদের রমরমা ব্যবসা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে হানা দেন মহিলা সাব-ইন্সপেক্টর শোভারানি। কিন্তু তল্লাশি চলাকালীন অভিযুক্ত বাবা ও মেয়ে শুধু যে পুলিশের কাজে বাধা দেন তাই নয়, মেজাজ হারিয়ে মহিলা পুলিশ অফিসারকে সজোরে চড়ও মারেন অভিযুক্ত তরুণী।
পুলিশ সূত্রে খবর, ইরিগেপল্লি গ্রামের একটি সাধারণ হোটেলে হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণে অবৈধ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। হোটেলের মালিক মল্লিকার্জুন এবং তাঁর মেয়ে কীর্তন এই চক্রের মূল হোতা। মদের বোতলগুলি জব্দ করে যখন তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করা হচ্ছিল, তখনই শুরু হয় বচসা। বচসা চলাকালীন আচমকাই সাব-ইন্সপেক্টর শোভারানিকে চড় মারেন কীর্তন। এরপর তাঁর বাবা মল্লিকার্জুনও পুলিশ আধিকারিকের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন। সঙ্গে থাকা কনস্টেবলরা তৎক্ষণাৎ দুজনকে নিয়ন্ত্রণে এনে হেফাজতে নেন।
গুড়িবান্দা পুলিশ এই ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা ও মেয়ের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, পুলিশ আধিকারিককে মারধর এবং অবৈধ মদ পাচারের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।