পশ্চিম এশিয়ায় ঘনীভূত যুদ্ধের মেঘ এবং ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝেই দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ নিয়ে বড়সড় নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্যাসের বণ্টন নির্ধারণ করে দিয়েছে কেন্দ্র। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো, বিশ্ব বাজারের অস্থিরতার প্রভাব যেন সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে না পৌঁছায়।
কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাঁদের বাড়িতে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস (PNG) সরবরাহ করা হয়, সেখানে ১০০ শতাংশ জোগান বজায় রাখা হবে। এছাড়া যানবাহনের সিএনজি (CNG) এবং সাধারণ রান্নার গ্যাসের (LPG) সিলিন্ডারের জোগানেও কোনো ঘাটতি হবে না বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে গিয়ে কোপ পড়ছে শিল্পক্ষেত্রে।
সূত্রের খবর, চা শিল্পের জন্য ৮০ শতাংশ এবং সার উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর জন্য চাহিদার ৭০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি দেশের তৈল শোধনাগারগুলিও তাদের প্রয়োজনীয়তার মাত্র ৬৫ শতাংশ গ্যাস পাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেন্দ্রের এই কৌশলী পদক্ষেপে আমজনতার পকেটে আপাতত চাপ না পড়লেও, উৎপাদন কমে যাওয়ার ফলে শিল্পক্ষেত্রে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা প্রবল।