মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবার এক ভয়ংকর মোড় নিল। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে প্রথমবারের মতো ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ প্রয়োগ করল ইরান। সোমবার রাতে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর অংশ হিসেবে তেহরান তাদের অত্যাধুনিক হাইপারসনিক মিসাইল ‘ফাত্তাহ-২’ ব্যবহার করেছে বলে দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)।
এই ক্ষেপণাস্ত্রের ভয়াবহতা বিজ্ঞানকেও হার মানায়। শব্দের গতির প্রায় ১৫ গুণ (ম্যাক ১৫) গতিতে ছুটতে সক্ষম এই মিসাইল প্রতি ঘণ্টায় ১৮,৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে। আইআরজিসি-র দাবি, এই অভিযানে ইজরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে নির্ভুল নিশানায় আঘাত করা হয়েছে।
BREAKING: Iran has fired its Fattah‑2 hypersonic missile, capable of speeds over 11,000 mph 🤯
pic.twitter.com/aDyYiY8hOP— Daily Loud (@DailyLoud) March 3, 2026
বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘ফাত্তাহ-২’-তে যুক্ত রয়েছে হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল (HGV) প্রযুক্তি। এর ফলে মাঝ-আকাশে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে দিক পরিবর্তন করতে পারে এই মিসাইল, যা বর্তমান বিশ্বের প্রচলিত যেকোনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (Air Defence System) পক্ষে আটকানো প্রায় অসম্ভব। ১,৫০০ কিলোমিটার পাল্লার এই মারণাস্ত্র ইজরায়েল ও সংলগ্ন এলাকায় মার্কিন সামরিক সম্পদের জন্য বড়সড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও ইরান তাদের সাফল্যের দাবি করলেও, এই হামলার পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি পশ্চিমী বিশ্ব।