নদিয়ার শান্তিপুরে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘরভর্তি স্ত্রী ও কন্যা সন্তান থাকা সত্ত্বেও অন্য যুবতীকে বিয়ে করার অভিযোগে কাঠগড়ায় উঠেছিলেন শান্তিপুর থানায় কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার সুজয় হালদার। সেই বিবাদ মেটাতে বসা সালিশি সভার মাঝপথেই পালিয়ে গিয়ে আত্মঘাতী হলেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, সুজয়ের প্রথম পক্ষের স্ত্রী ও সন্তান থাকলেও মাস কয়েক আগে তিনি লুকিয়ে অন্য এক যুবতীকে বিয়ে করেন। এই নিয়ে পরিবারে দীর্ঘকাল অশান্তি চলছিল। গতরাতে গ্রামের মোড়লরা বিবাদ মেটাতে সালিশি সভা ডাকেন। সভায় সুজয় তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেই থাকার জেদ ধরেন। কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রী বিবাদের জেরে তাঁর সাথে থাকতে অস্বীকার করেন। সভার মধ্যেই চরম অপমানিত বোধ করে এলাকা থেকে চম্পট দেন সুজয়।
রাতভর নিখোঁজ থাকার পর আজ সকালে বাড়ির পাশে একটি গাছের ডালে সুজয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে শান্তিপুর থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পারিবারিক টানাপোড়েন নাকি এর পিছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।