সন্দেশখালি নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে জলঘোলা থামার নামই নিচ্ছে না। এবার সেই আগুনেই ঘি ঢাললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার একটি জনসভা থেকে শুভেন্দু সরাসরি দাবি করেন, সন্দেশখালিকে টার্গেট করার পিছনে গভীর রাজনৈতিক এবং জনবিন্যাসগত চক্রান্ত রয়েছে। তাঁর মতে, কেন বারবার ওই দ্বীপ এলাকাতেই অশান্তি দানা বাঁধে এবং কেন বহিরাগতদের আনাগোনা সেখানে বৃদ্ধি পায়, তার পিছনে থাকা ‘আসল রহস্য’ এবার মানুষের সামনে আনা জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ একটি ভোটব্যাঙ্ককে সুরক্ষিত রাখতেই সন্দেশখালিকে দুর্গের মতো ব্যবহার করছে শাসকদল।
শুভেন্দু অধিকারী মঞ্চ থেকে দাবি করেন যে, শেখ শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর দাপট কেবল স্থানীয় আধিপত্যের জন্য নয়, বরং সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এক বিশেষ করিডোর তৈরির লক্ষ্যেই কাজ করত। তিনি আরও বলেন, “সন্দেশখালিতে সাধারণ মানুষের জমি দখল থেকে শুরু করে নারীদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর মূলে ছিল ভয় দেখিয়ে ক্ষমতা দখল করে রাখা।” বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই বেছে বেছে এই এলাকাটিকে অশান্ত করে রাখা হয়েছিল বলে তাঁর অভিযোগ। শাহজাহানের গ্রেফতারির পর কেন আজও সেখানে চাপা উত্তেজনা রয়েছে, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শুভেন্দু শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগসাজশের দিকেও আঙুল তোলেন।