ফের একবার লাল-হলুদ ঝড়। পঞ্জাব এফসি-কে (Punjab FC) ৩-১ গোলে পরাজিত করে সুপার কাপের (Super Cup) ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব (East Bengal FC)। খেলার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল অস্কার ব্রুজোর (Carles Cuadrat) দল। তবে গোলের উৎসবের পাশাপাশি এই ম্যাচে দেখা গেল চরম নাটক, যেখানে লাল কার্ড দেখতে হলো স্বয়ং কোচ অস্কার ব্রুজোকে!
🚀 ১২ মিনিটেই গোলের খাতা খোলে লাল-হলুদ
ম্যাচের ১২ মিনিটেই প্রথম গোল তুলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। কর্নার থেকে দুরন্ত শটে জালে বল জড়ান ডিফেন্ডার রাশিদ খান (Rakip)। যদিও সেই লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বিপিনের একটি ভুলের কারণে পেনাল্টি পেয়ে যায় পঞ্জাব। হেড করতে গিয়ে নাগাল না পেয়ে হাতে বল লাগিয়ে ফেলেন বিপিন। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান রামিরেজ।
তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ব্যবধান বাড়ান কেভিন সিবিয়ে (Cleiton Silva)। আর এই গোলের পরেই শুরু হয় মাঠের নাটক। চতুর্থ রেফারিকে উদ্দেশ্য করে কিছু অঙ্গভঙ্গি করার কারণে লাল কার্ড দেখেন কোচ ব্রুজো। আগেই হলুদ কার্ড দেখায় সতর্ক হতে পারতেন তিনি। এর ফলস্বরূপ, ফাইনালে ডাগ-আউটে থাকা অনিশ্চিত তাঁর।
✨ দ্বিতীয়ার্ধে সল ক্রেসপোর ম্যাজিক, ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত
দ্বিতীয়ার্ধে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর আরও গোলের সন্ধানে নামে ইস্টবেঙ্গল। পঞ্জাব এফসি সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। খেলার শেষ ভাগে, ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক সল ক্রেসপো (Saul Crespo) দূর থেকে শট নিয়ে আরও একটি দর্শনীয় গোল করে দলের ৩-১ ব্যবধান নিশ্চিত করেন। শেষ ১০ মিনিটে পঞ্জাবের গোলরক্ষক গিলকে পরীক্ষা করতে শুরু করলেও ততক্ষণে ইস্টবেঙ্গলের জয় নিশ্চিত।
আজই ঠিক হবে ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ কে হবে। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে এফসি গোয়া ও মুম্বই সিটি এফসি।
ম্যাচের পর ফাইনাল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইস্টবেঙ্গল ক্যাপ্টেন সল ক্রেসপো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন,
“আমার এখন প্রতিপক্ষ নিয়ে ভেবে লাভ নেই। যারা সামনে আসবে, তাদের সঙ্গেই খেলব। আমি তৈরি।”
ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের এখন একটাই অপেক্ষা— ফাইনাল জয়ের মধ্য দিয়ে সুপার কাপের ট্রফি ঘরে ফেরা।