২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে টলিপাড়ার অলিতে-গলিতে এখন একটাই প্রশ্ন—টলিউডের ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় কি অবশেষে সক্রিয় রাজনীতিতে নামছেন? দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে রাজনীতির ছোঁয়া বাঁচিয়ে চললেও, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সেই জল্পনাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে তাঁর বৈঠক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ছেলে তৃষাণজিতের (মিশুক) একটি পোস্ট ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
সম্প্রতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। এরপরই সুকান্ত মজুমদার তাঁর বালিগঞ্জের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। সেই সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় গুঞ্জন। এরই মাঝে প্রসেনজিতের ছেলে তৃষাণজিতের একটি কথিত প্রোফাইল থেকে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে ‘জয় শ্রীরাম’ ক্যাপশন দেওয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হওয়া সেই পোস্ট আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে—তবে কি বাবা-ছেলে দুজনেই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন?
এই সমস্ত জল্পনা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অভিনেতা সাফ জানিয়েছেন, “আমি জন্ম থেকেই অভিনয়ের জন্য। রাজনীতি আমার জায়গা নয়।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং অরাজনৈতিক। ছেলের পোস্ট নিয়ে তিনি জানান, সেটি একটি ‘ফেক প্রোফাইল’ থেকে করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে তাঁরা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে যে খবর রটেছে, তাকে সরাসরি ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বুম্বাদা। তাঁর কথায়, তিনি শুধু ‘সিনেমা’র মানুষ হয়েই থাকতে চান।