সমুদ্রের রাজা! আইএনএস বিক্রান্তের গর্জন, ভারতীয় নৌ-সেনার শক্তিতে কাঁপছে ড্রাগন থেকে পাকিস্তান!

ভারত মহাসাগরের নীল জলরাশিতে ভারতের নৌ-শক্তির এক বিশাল প্রদর্শনী দেখল বিশ্ব। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের প্রথম বিমানবাহী রণতরী ‘আইএনএস বিক্রান্ত’ (INS Vikrant) এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি মাঝ সমুদ্রে এই রণতরীর শক্তি প্রদর্শনী এবং যুদ্ধবিমানের সফল টেক-অফ ও ল্যান্ডিং অপারেশন দেখে কপালে ভাঁজ পড়েছে শত্রু দেশগুলোর।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আইএনএস বিক্রান্ত শুধুমাত্র একটি জাহাজ নয়, এটি ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং আত্মনির্ভরতার এক জীবন্ত প্রতীক। ২৬২ মিটার লম্বা এবং প্রায় ৪৫ হাজার টন ওজনের এই বিশালাকায় রণতরীটি ভারত মহাসাগরে ভারতের দাপট বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই মহড়ায় দেখা গেছে কীভাবে মিগ-২৯কে (MiG-29K) এবং উন্নত হেলিকপ্টারগুলো বিক্রান্তের ডেক থেকে অনায়াসেই নিজেদের অপারেশন পরিচালনা করছে।

এই শক্তি প্রদর্শনী এমন এক সময়ে করা হলো যখন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আধিপত্য নিয়ে চিনের সঙ্গে রেষারেষি তুঙ্গে। ভারত বুঝিয়ে দিল, সমুদ্রসীমায় কোনো রকম অনুপ্রবেশ বা খবরদারি তারা বরদাস্ত করবে না। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, আইএনএস বিক্রান্তে মোতায়েন করা হয়েছে অত্যাধুনিক রাডার এবং মিসাইল সিস্টেম, যা কয়েকশ কিলোমিটার দূর থেকেই শত্রুর অবস্থান শনাক্ত করে ধ্বংস করতে সক্ষম।

আমেরিকা থেকে রাশিয়া—প্রত্যেক শক্তিশালী রাষ্ট্রই ভারতের এই অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। ডেইলিহান্ট-এর পাঠকদের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এই নৌ-মহড়াটি ছিল অত্যন্ত উচ্চমানের এবং নিখুঁত। এর মাধ্যমে ভারত প্রমাণ করল যে তারা এখন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নৌ-শক্তিগুলোর সারিতে এসে দাঁড়িয়েছে। বিক্রান্তের এই বিশাল উপস্থিতি এবং নৌ-সেনার দক্ষতায় আজ গর্বিত প্রতিটি ভারতীয়।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy