সাম্প্রতিক এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ওই ব্যবসায়ী তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। তাঁর দাবি, ফ্লিপকার্টের লজিস্টিক পার্টনার Ekart-এর মাধ্যমে পাঠানো দামি পণ্য মাঝপথে গায়েব হয়ে গেছে অথবা বদলে দেওয়া হয়েছে। বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও ফ্লিপকার্ট কর্তৃপক্ষ বা একার্টের পক্ষ থেকে কোনো সদর্থক ভূমিকা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ।
ব্যবসায়ীর মূল অভিযোগসমূহ:
পণ্য চুরি: গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর আগেই প্যাকেট থেকে আসল জিনিস সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
রিটার্ন জালিয়াতি: অনেক সময় গ্রাহক ভুল বা সস্তা জিনিস ফেরত দিলেও একার্ট তা যাচাই না করেই ব্যবসায়ীর ওপর দায় চাপিয়ে দিচ্ছে।
সহযোগিতার অভাব: কাস্টমার সাপোর্ট বা সেলার সাপোর্ট টিম এই চুরির ঘটনায় কোনো তদন্ত করছে না।
সিইও-র বিরুদ্ধে তোপ:
সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, ওই ব্যবসায়ী সরাসরি ফ্লিপকার্টের সিইও কল্যাণ কৃষ্ণমূর্তিকে নিশানা করেছেন। তিনি লিখেছেন, “একজন সিইও হিসেবে কল্যাণ কৃষ্ণমূর্তি পুরোপুরি ব্যর্থ। তিনি ভারতের অন্যতম বড় ই-কমার্স সংস্থাকে একটি অনিরাপদ প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছেন। তিনি এখন পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে অযোগ্য সিইও।”
ই-কমার্স বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন:
এই ঘটনাটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে বিক্রেতাদের বা ‘সেলার’দের নিরাপত্তার অভাবকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে।
অনেক বিক্রেতাই দাবি করছেন যে, ফ্লিপকার্ট বা অ্যামাজনের মতো বড় সংস্থাগুলো গ্রাহকদের সুবিধা দিলেও বিক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষায় উদাসীন।
লজিস্টিক পার্টনারদের অসাধু কর্মীদের কারণে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
ফ্লিপকার্টের প্রতিক্রিয়া: যদিও এই নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে ফ্লিপকার্টের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি, তবে সাধারণত এই ধরনের ক্ষেত্রে সংস্থাটি ‘অভ্যন্তরীণ তদন্ত’ (Internal Investigation)-এর আশ্বাস দিয়ে থাকে।





