বাড়ি বা গাড়ির লোন নেওয়ার পর ইএমআই-এর চাপে হিমশিম খান অনেকেই। কিন্তু সঠিক আর্থিক পরিকল্পনা থাকলে লোনের মেয়াদ এবং সুদ— দুই-ই কমিয়ে আনা সম্ভব। আপনার অতিরিক্ত সঞ্চয় সাধারণ সেভিংস অ্যাকাউন্টে না রেখে লোনের সঙ্গে যুক্ত ‘ওভারড্রাফ্ট’ অ্যাকাউন্টে রাখুন। এতে ব্যাঙ্ক কেবল বকেয়া ঋণের ওপর সুদ নেবে, ফলে আপনার আসল বা প্রিন্সিপাল দ্রুত কমবে।
প্রতি বছর লোনের অন্তত ৫% থেকে ১০% প্রি-পেমেন্ট করার লক্ষ্য রাখুন। বছরে মাত্র একটি অতিরিক্ত ইএমআই জমা দিলে ২০ বছরের লোন ১৫ বছরেই শোধ হতে পারে। এছাড়া, বর্তমান ব্যাঙ্কের তুলনায় অন্য ব্যাঙ্ক কম সুদ অফার করলে ‘লোন ব্যালেন্স ট্রান্সফার’-এর কথা ভাবতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে প্রসেসিং ফি যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
মনে রাখবেন, ইএমআই কমাতে লোনের মেয়াদ বাড়ানো মানেই সুদের বোঝা বাড়ানো। তার বদলে বেতন বাড়লে ইএমআই-এর পরিমাণ বা ‘স্টেপ-আপ ইএমআই’ বাড়ান। পাশাপাশি, আপনার ক্রেডিট স্কোর ৮০০-র উপরে থাকলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে সুদের হার কমানোর অনুরোধ করুন। ভালো গ্রাহকদের ধরে রাখতে অনেক সময় ব্যাঙ্ক সুদের হারে ছাড় দিয়ে থাকে।





