ইরানের শীর্ষ নেতা আলি লারিজানির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্ব রাজনীতিতে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ১৬ মার্চ ২০২৬-এ প্রকাশিত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, চীন এই হত্যাকাণ্ডকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বেইজিং স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই ধরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করবে। অন্যদিকে, লারিজানির মৃত্যুর বদলা নেওয়ার প্রকাশ্য হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই।
ইতোমধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে বিপুল অংকের ক্ষতিপূরণ দাবি করে জাতিসংঘকে (UN) চিঠি পাঠিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, তাদের আকাশসীমা ও নিরাপত্তা লঙ্ঘনের দায় আমিরাতকেও নিতে হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। লারিজানির প্রয়াণে শোক ও ক্ষোভের আবহেই তুরস্কের ইস্তাম্বুলে একরাম ইমামোগলুর সমর্থনে আয়োজিত বিশাল মিছিলেও এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন সাধারণ মানুষ।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, লারিজানির মৃত্যু কেবল ইরানের ক্ষতি নয়, এটি ইরান-ইজরায়েল সংঘাতকে এক নতুন ও ভয়ংকর উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। আমেরিকা ও পশ্চিমা দেশগুলো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখলেও, ইরান তার বদলা নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড়। এখন দেখার, জাতিসংঘ এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কী ভূমিকা পালন করে।