ফের উত্তপ্ত বাংলার রাজনীতি। ভোটের বাদ্যি বাজতেই বাংলায় ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতি-সক্রিয়তা। রেশন দুর্নীতি মামলার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার সকাল থেকে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া ও মুর্শিদাবাদ-সহ মোট ১৫টি জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। এবারের নিশানায়— ‘বাংলাদেশ গম পাচার চক্র’।
ইডির নজরে রয়েছেন ১২ জনেরও বেশি রফতানিকারক। অভিযোগ, ২০২০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙা সীমান্ত দিয়ে প্রায় ১৭৫টি ট্রাকে ভরে ৫১০০ টন সরকারি গম বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করা হয়েছিল। ১৬ কোটি টাকার এই পাচারচক্রের মূলে ছিল সরকারি আটা কল থেকে গমের বস্তা চুরি। শুল্ক দফতরের হাতে সেই সময় ধরা পড়া এই মামলার সূত্র ধরেই আজ পোদ্দার কোর্ট ও মিন্টো পার্কের একাধিক ফুড প্রোডাক্ট সংস্থার অফিসে হানা দিয়েছে ইডি।
এই অভিযান ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা তোপ, “বাংলার ব্যবসায়ীদের টার্গেট করছে বিজেপি। হিম্মত থাকলে গণতান্ত্রিক লড়াই হোক।” অন্যদিকে, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার দাবি, “তৃণমূলকে হঠাতে এজেন্সির দরকার নেই, মানুষই তৈরি আছে।” উল্লেখ্য, রেশন মামলায় ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু) বর্তমানে জামিনে মুক্ত এবং হাবড়া থেকে জোড়াফুল শিবিরের প্রার্থী। ভোটের মুখে এই নতুন দুর্নীতি মামলা শাসক শিবিরের অস্বস্তি বাড়াল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





