রাজ্যে এলপিজি (LPG) সঙ্কটের মোকাবিলায় নবান্ন থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হলো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একটি ২৪ ঘণ্টার বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমেই রাজ্যের প্রতিটি জেলায় গ্যাসের মজুত, সরবরাহ ও বিতরণের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে। গ্যাস সরবরাহে কোনো অনিয়ম বা ঘাটতি দেখা দিলে তা দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেবে এই বিশেষ সেল।
মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ কমিটি জেলা প্রশাসন, ডিস্ট্রিবিউটর ও তেল বিপণন সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। নতুন নির্দেশিকায় গার্হস্থ্য রান্নার গ্যাসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি হোস্টেলগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না করে ছোট খাবারের দোকান ও জরুরি পরিষেবার স্বার্থে তা নিয়ন্ত্রিতভাবে চালু রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে অতিরিক্ত ডেলিভারি গাড়ি, বটলিং প্ল্যান্ট থেকে সিলিন্ডার পাঠানোর হার বৃদ্ধি এবং এলপিজি ট্যাঙ্কারকে ‘অত্যাবশ্যক পরিবহন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রয়োজনে দ্রুত গ্যাস পরিবহণের জন্য ‘গ্রিন করিডর’ তৈরির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।