বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল নিয়ে চাঞ্চল্যকর মোড়। একযোগে একাধিক আইএএস (IAS) এবং আইপিএস (IPS) আধিকারিকের বদলি সংক্রান্ত মামলাটি শুনতেই চাইল না দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থানের ফলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ভবিষ্যৎ এবং নির্বাচনী বদলি প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
আদালতে কী ঘটল? নির্বাচনী আবহে নিয়মমাফিক প্রশাসনিক রদবদল করে থাকে কমিশন ও রাজ্য। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কতিপয় আধিকারিক। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে তাঁরা এই বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চান না। আদালতের এই অনীহা কার্যত বদলি হওয়া আধিকারিকদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কেন এই রদবদল? আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন মেনেই সাধারণত এই ধরণের বদলি করা হয়। যে সমস্ত আধিকারিকরা দীর্ঘদিন একই পদে রয়েছেন বা যাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে, তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার রীতি রয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর নাম এই তালিকায় থাকায় বিষয়টি আইনি লড়াই পর্যন্ত গড়িয়েছিল।
প্রশাসনিক মহলে প্রতিক্রিয়া: শীর্ষ আদালত মামলাটি শুনতে অস্বীকার করায় এখন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশিত নতুন পদেই যোগ দিতে হবে। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়া জরুরি ছিল। আদালত সেই পথেই সায় দিল বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচনের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের পুলিশ ও আমলাতন্ত্রে রদবদলের এই ইস্যুটি রাজনৈতিক মহলেও উত্তাপ বাড়াচ্ছে।





