২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে হারানো জমি ফিরে পেতে অল-আউট গেমে নামল আলিমুদ্দিন। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় আরও ৩২টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। প্রথম দফায় ১৯২টি আসনের পর এদিনের তালিকায় দেখা গেল অভিজ্ঞ প্রবীণ এবং লড়াকু নবীন প্রজন্মের এক অনন্য সংমিশ্রণ।
ভবানীপুরের হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী করেছে তরুণ আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাসকে। অন্যদিকে, টালিগঞ্জে ঘাসফুল শিবিরের হেভিওয়েটদের টক্কর দিতে লড়বেন অধ্যাপক পার্থপ্রতিম বিশ্বাস। বালিগঞ্জে বামেদের বাজি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আফরিন বেগম (শিল্পী)। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ তথা চিকিৎসক পুলিনবিহারী বাস্কে (নয়াগ্রাম) এবং হিমাংশু দাসের (খেজুরি) মতো পরিচিত মুখও। মুর্শিদাবাদের রানিনগরে লড়াই করবেন জেলা সম্পাদক জামাল হোসেন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ‘মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ’ ফর্মুলায় কি বামেরা বিধানসভায় শূন্যের কলঙ্ক মুছতে পারবে? প্রখ্যাত সাংবাদিক সুমন দে-র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় করা জনমত সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক কঠিন বাস্তব। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া দর্শকদের মধ্যে ৬০ শতাংশই মনে করছেন এতে সিপিএমের ভাগ্যের চাকা ঘুরবে না। অন্যদিকে, ৩৮ শতাংশ মানুষ বামেদের এই নতুন কৌশলের ওপর আস্থা রেখেছেন। মাত্র ২ শতাংশ দর্শক কোনো মন্তব্য করেননি। এখন দেখার, ৪ মে ইভিএম বক্স খোলার পর জনমতের এই পাল্লা কোন দিকে ঘোরে।