২০২৬-এর মহাযুদ্ধে ঘর গোছাতে শুরু করল পদ্ম শিবির। সোমবার বিজেপির ঘোষিত ১৪৪ জনের প্রার্থী তালিকায় সবথেকে বড় চমক বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার আর একটি নয়, বরং দুটি আসন থেকে লড়াই করবেন তিনি। নিজের গড় নন্দীগ্রামের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রার্থী হচ্ছেন শুভেন্দু। অন্যদিকে, দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজের পুরনো ও চেনা মাঠ খড়গপুর সদরেই ফিরলেন দিলীপ ঘোষ।
মাঝে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়লেও, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান-দুর্গাপুরে হারের পর ফের দিলীপের ওপরই ভরসা রাখল হাইকম্যান্ড। এ প্রসঙ্গে এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিলীপ ঘোষ জানান, “প্রধানমন্ত্রী মোদী বা রাহুল গান্ধীও দুটি আসনে লড়েছেন, তাই শুভেন্দুর দুটি আসনে লড়া অস্বাভাবিক নয়। পার্টি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা শিরোধার্য।” আরএসএস প্রচারক থেকে বিধায়ক এবং মেদিনীপুরের সাংসদ হওয়া—দিলীপের রাজনৈতিক কেরিয়ারে খড়গপুর অত্যন্ত আবেগপ্রবণ জায়গা। এবার সেই পুরনো ‘ক্রিজেই’ ব্যাট করতে নামছেন তিনি।
বিজেপির এই তালিকায় ৪১ জন বর্তমান বিধায়ককে ফের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে টিকিট পাননি ৮ জন বিদায়ী বিধায়ক। উত্তরবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে কোচবিহার, শিলিগুড়ি ও মাটিগাড়ার মতো আসনগুলোতে শঙ্কর ঘোষ, আনন্দময় বর্মন ও মালতী রাভাদের ওপরই আস্থা রেখেছে দল। এখন দেখার, শুভেন্দুর দ্বিমুখী লড়াই আর দিলীপের ঘরে ফেরা ২০২৬-এ বিজেপিকে নবান্নের কতটা কাছে পৌঁছে দেয়।