মেয়র না থাকায় পুরসভার সমস্ত ওয়ার্ডে জল নিকাশির অবস্থা নিয়মিত মনিটরিং করবেন খোদ কমিশনার। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বিশেষ আধিকারিকদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
ড্রেনেজ ক্লিনিং: বর্ষার আগে শহরের সমস্ত নর্দমা এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেনেজ ব্যবস্থা নতুন করে পরিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে জল জমার প্রবণতা রয়েছে এমন এলাকাগুলোতে।
পাম্পিং স্টেশনগুলোর প্রস্তুতি: শহরের গুরুত্বপূর্ণ পাম্পিং স্টেশনগুলোতে ২৪ ঘণ্টা কর্মী মোতায়েন রাখা এবং যন্ত্রপাতির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে কোথাও জল জমলে দ্রুত পাম্প চালিয়ে তা বের করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
কন্ট্রোল রুম: নাগরিকদের অভিযোগ পাওয়ার জন্য পুরসভার কন্ট্রোল রুমটি ২৪/৭ খোলা রাখা হবে, যাতে কোনো এলাকায় জল জমার খবর পেলেই দ্রুত পদক্ষেপ করা যায়।
প্রশাসনের বার্তা: প্রশাসনিক কর্তাদের মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রভাব যাতে নাগরিক পরিষেবা বা জনজীবনের ওপর না পড়ে, তার জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ। মেয়রের পদত্যাগের জল্পনা কাটিয়ে পুরসভার আধিকারিকরা এখন পুরো মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন বর্ষার মরসুমে শহরবাসীকে ভোগান্তি থেকে মুক্তি দেওয়ার দিকে।
এখন দেখার বিষয়, এই প্রশাসনিক রূপরেখা কতটা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং শহরবাসী বর্ষার দিনে কতটা স্বস্তিতে থাকতে পারেন।





