রাজ্যের মাদ্রাসাগুলোতে জঙ্গি কার্যকলাপ বা কোনো প্রকার দেশবিরোধী কাজকর্ম চলছে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক বর্তমান। এবার সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন খোদ এক মুসলিম বিধায়ক। তাঁর মতে, মাদ্রাসার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে প্রতিটি মাদ্রাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো অত্যন্ত জরুরি। বিধায়কের এই পরামর্শকে কেন্দ্র করে বর্তমানে শিক্ষা ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চর্চা।
বিধায়ক তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন যে, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক করার পাশাপাশি সুরক্ষার দিকেও নজর দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, “যদি কোনো ভুল কাজ না হয়, তবে নজরদারিতে ভয় কিসের? সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা যেমন বাড়বে, তেমনই অপপ্রচারকারীদের মুখও বন্ধ হবে।” তাঁর এই প্রস্তাবের নেপথ্যে মাদ্রাসাগুলোর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার উদ্দেশ্য রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
তবে এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দ্বিমত পোষণ করছেন অনেকে। ধর্মীয় সংগঠনগুলোর একাংশের মতে, এই ধরণের পরামর্শ মাদ্রাসার ওপর অহেতুক সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি করবে। অন্যদিকে, সরকার ও বিরোধী পক্ষের অনেক সদস্যই এই সুরক্ষামূলক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে, এটি কি সত্যিই সুরক্ষার স্বার্থে নাকি এর পেছনে কোনো গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে? সব মিলিয়ে, মাদ্রাসায় সিসিটিভি লাগানোর এই বিতর্ক এখন জনমানসে তুঙ্গে।