কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের মহার্ঘ ভাতা (DA) ঘোষণার প্রতীক্ষা ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। প্রতি বছর সাধারণত মার্চের মাঝামাঝি অর্থাৎ হোলির আগেই এই ঘোষণা হয়ে যায়। কিন্তু ২০২৬ সালের তিন মাস পার হয়ে গেলেও সরকারের নীরবতা কর্মচারীদের মনে গভীর উদ্বেগ ও আশঙ্কার জন্ম দিয়েছে। অনেকের মনেই প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে—করোনাকালের মতো কি আবারও স্থগিত হতে চলেছে ডিএ?
২০২০-২১ সালে অতিমারির জেরে সরকার ১৮ মাসের ডিএ স্থগিত করেছিল। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং বিশ্বজুড়ে চলা অস্থিরতা ভারতীয় অর্থনীতিতেও চাপের সৃষ্টি করছে। এই আবহে হোলির সময় ঘোষণা না হওয়ায় কর্মচারীদের আশঙ্কা বাড়ছে। তবে সরকার বা অর্থ মন্ত্রক এখনও এমন কোনো ইঙ্গিত দেয়নি যা থেকে মনে করা হতে পারে যে ডিএ স্থগিত হবে।
প্রকৃতপক্ষে, এই বিলম্বের নেপথ্যে অন্য একটি কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫-এ সপ্তম বেতন কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং ২০২৬-এর ১ জানুয়ারি থেকে অষ্টম বেতন কমিশনের সূচনা হওয়ার কথা। এই কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণেই হয়তো গণনায় কিছুটা সময় লাগছে। বর্তমানে কর্মীরা ৫৮% হারে ডিএ পাচ্ছেন, যা আরও ২-৩% বাড়তে পারে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের এপ্রিলেই এই বকেয়া ঘোষণা করা হবে এবং কর্মীরা জানুয়ারি থেকে বকেয়া টাকা (Arrears) সমেত বর্ধিত বেতন পাবেন।





