রাজ্যের মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর এই প্রথম নিজের শহর মেদিনীপুরে পা রাখলেন দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সফর তাঁর কাছে অত্যন্ত আবেগপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ। শুক্রবার বিকেলে মেদিনীপুর শহরে পৌঁছেই তিনি দীর্ঘদিনের অভ্যাসমতো এক ঘরোয়া চা-চক্রে অংশ নিলেন।
আড্ডার আবহে কী বার্তা? কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের পুরনো অভ্যাস ভোলেননি মন্ত্রী। শহরের এক পরিচিত মোড়ে চা-চক্রের আড্ডায় তাঁকে ঘিরে স্থানীয় বিজেপি কর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আড্ডার মেজাজে তিনি কথা বললেন এলাকার মানুষের অভাব-অভিযোগ নিয়ে। মন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই ধরণের খোলামেলা আড্ডায় তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, পদের পরিবর্তন হলেও তাঁর স্বভাব বা মানুষের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যম ‘চা-চক্র’ একই থাকবে।
রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরেও মানবিক মুখ: চা-চক্রে এলাকার উন্নয়নের প্রসঙ্গ উঠতেই দিলীপ ঘোষ জানান, “মন্ত্রিত্বের দায়ভার অনেক বেশি। আগে মানুষের দাবি নিয়ে কথা বলতাম, এখন সেই কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমার কাঁধে।” মেদিনীপুরের মানুষের আশীর্বাদ তাঁর বড় শক্তি—এমনটাই মন্তব্য করলেন তিনি। স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও এদিন তিনি বৈঠক করেন এবং উন্নয়নের রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা করেন।
রাজনৈতিক চর্চা: নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকারের এই মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে স্থানীয়দের উৎসাহ ছিল তুঙ্গে। রাজনৈতিক মহলের মতে, দিলীপ ঘোষের এই সফর শুধু এলাকাভিত্তিক কর্মসূচির জন্যই নয়, বরং দলের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেদিনীপুরের মাটি থেকে উঠে আসা এই নেতার মন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম এই চা-চক্র ঘিরে শহরজুড়ে সাজ সাজ রব ছিল।
দিলীপ ঘোষের এই নতুন রাজনৈতিক যাত্রা এবং মন্ত্রিত্বের পর তাঁর কাজের গতিপ্রকৃতি নিয়ে আপনি কি আরও বিস্তারিত কোনো তথ্য জানতে আগ্রহী?





