ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে বাংলার মাটি। এবার খোদ নির্বাচনী কাজের প্রশিক্ষণে আসা এক সরকারি কর্মী আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে গুন্ডারাই এখন প্রশাসন চালাচ্ছে। পুলিশ নয়, দুষ্কৃতীরাই ঠিক করে দিচ্ছে রাজ্যে কী হবে।”
কেন এই আক্রমণ? ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে। নির্বাচনী কাজে যুক্ত এক ভোটকর্মী যখন প্রশিক্ষণে অংশ নিতে এসেছিলেন, তখন তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগের তির সরাসরি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে জানিয়েছেন, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর কথায়, “একজন সরকারি কর্মী, যিনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এসেছেন, তাঁর ওপর আক্রমণ মানেই গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ। এটাই তৃণমূলের আসল সংস্কৃতি।”
কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি শুভেন্দুর দাবি, রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি প্রশিক্ষণ নিতে আসা কর্মীরাই সুরক্ষিত না থাকেন, তবে ভোটের দিন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই ঘটনার পর ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে নালিশ জানিয়েছে বিজেপি শিবির। বিরোধী দলনেতার হুঁশিয়ারি, কমিশন যদি এখনই কড়া পদক্ষেপ না নেয়, তবে আসন্ন নির্বাচনে ভোটকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়বে, যা অবাধ নির্বাচনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।