বাংলায় প্রথম দফার নির্বাচনে ১৫২টি আসনে রেকর্ড ৯২.৮৮ শতাংশ ভোটদানের পর এবার নজর দ্বিতীয় তথা শেষ দফার দিকে। আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যের ১৪২টি আসনে হতে চলেছে চূড়ান্ত পর্যায়ের নির্বাচন। এই দফায় শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কোনো খামতি রাখতে চায় না নির্বাচন কমিশন। শিয়ালদহ থেকে সুন্দরবন— সর্বত্র মোতায়েন করা হচ্ছে পাহাড়প্রমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী।
নিরাপত্তার চাদরে বাংলা: মোতায়েন বিশাল বাহিনী
কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি নজরদারির জন্য থাকছেন ১৪২ জন জেনারেল অবজারভার এবং ৯৫ জন পুলিশ অবজারভার। মূলত নদিয়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব বর্ধমানের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
কোথায় কত বাহিনী? একনজরে গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও কমিশনারেট:
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী বাহিনীর বিন্যাস নিম্নরূপ:
| জেলা/পুলিশ জেলা/কমিশনারেট | কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোম্পানি সংখ্যা |
| কলকাতা পুলিশ এলাকা | ২৭৩ কোম্পানি |
| পূর্ব বর্ধমান | ২৬০ কোম্পানি |
| হুগলি গ্রামীণ | ২৩৪ কোম্পানি |
| ব্যারাকপুর কমিশনারেট | ১৬০ কোম্পানি |
| কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা | ১৫৮ কোম্পানি |
| ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা | ১৩৫ কোম্পানি |
| বসিরহাট পুলিশ জেলা | ১২৩ কোম্পানি |
| বারাসত পুলিশ জেলা | ১১২ কোম্পানি |
রেকর্ড ভোট ও পরবর্তী লক্ষ্য
প্রথম দফায় স্বাধীনতার পর থেকে সর্বোচ্চ ৯২.৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে বাংলায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, এনআরসি বা এসআইআর নিয়ে আশঙ্কার জেরে ভিনরাজ্যে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকেরাও নিজের ভোট দিতে বাড়ি ফিরে এসেছেন। এই বিপুল উৎসাহকে মাথায় রেখে দ্বিতীয় দফাতেও ভোটারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর কমিশন।
গণনা ৪ঠা মে
আগামী ২৯শে এপ্রিল নদিয়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব বর্ধমানের ১৪৪৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য ইভিএম-বন্দি হবে। এরপর ৪ঠা মে হবে বহুপ্রতীক্ষিত ভোটগণনা। শেষ দফার আগে এখন রাজ্যজুড়ে চলছে হেভিওয়েট প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রচার ও জনসংযোগ।




